হিসাববিজ্ঞান (Accounting) পরীক্ষায় কমন পাওয়ার মত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর

হিসাববিজ্ঞান পরীক্ষায় কমন পাওয়ার মত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর। নিচের প্রশ্ন গুলো ক্লাস নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ, এবং পলিটেকনিক এর জন্য নিচের প্রশ্ন গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যেকোনো পরীক্ষার জন্য প্রশ্ন গুলো পড়তে পারেন। অতি সংক্ষিপ্ত এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এর জন্য নিচের প্রশ্ন গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশ্নসমূহ

প্রশ্ন – ১ঃ হিসাবরক্ষণ কাকে বলে? অথবা, বুক কিপিং কী?

উত্তরঃ যে কলাকৌশল ও নিয়ম-নীতির সাহায্যে কারবারি লেনদেনসমূহ হিসাবের খাতা বা বহিতে সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও  শৃঙ্খলার সাথে লিপিবদ্ধ করা হয় এবং যার সাহায্যে নির্দিষ্ট সময় পরে লেনদেনের প্রকৃতি ও ফলাফল এবং ব্যবসায়ের সঠিক আর্থিক অবস্থা সহজ ও সঠিক ভাবে নিরূপণ করা যায় তাকে হিসাববিজ্ঞান বা বুক কিপিং বলে।

AVvXsEh8SBLNC8kjtvJjLrecFZOmaCFsIE05UG3VHTqkGzZiEsCh4OuF mCTpAZ8yVdXejgBR siqDz pxAdyPDLb7lWCsgYnL oVoihbUungn iksPKYzjxcDDKL7WQY6 Lh1ZRWfgSnl9CF9EEZL03UVw OW3DTV5yNTS1U5AqaSaMnTPg8vK F9pDcJEl g=w400 h266

 

প্রশ্ন – ২ঃ হিসাববিজ্ঞান কি বা কাকে বলে?

উত্তরঃ যে শাস্ত্র কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আর্থিক কার্যাবলি হিসাবের বহিতে সুষ্ঠুভাবে লিপিবদ্ধ করার কৌশল শিক্ষা দেয় এবং যা থেকে নির্দিষ্ট সময় শেষে আর্থিক অবস্থার ফলাফল নিরূপণ করা যায় তাকে হিসাববিজ্ঞান বলে।

প্রশ্ন – ৩ঃ হিসাববিজ্ঞানের জনক কে?

উত্তরঃ লুকা ডি প্যাসিওলিকে হিসাববিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তিনিই প্রথম দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।

প্রশ্ন – ৪ঃ হিসাবরক্ষণের উদ্দেশ্যসমূহ কী কী?

উত্তরঃ হিসাববিজ্ঞানের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা

  • হিসাবরক্ষণের মাধ্যমে প্রতারণা ও জালিয়াতি নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব ।
  • হিসাববিজ্ঞানের সর্বপ্রথম উদ্দেশ্য হল লেনদেনসমূহ লিপিবদ্ধকরন ।
  • হিসাববিজ্ঞানের অন্যতম উদ্দেশ্য হল আর্থিক ফলাফল ও অবস্থা নিরূপণ ।
  • ব্যয় নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন সম্ভব ।
  • ব্যবসায়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহনে আর্থিক তথ্যাবলি ব্যবহার হয়ে থাকে ।
  • স্কুল , কলেজ , হাসপাতাল ইত্যাদি সেবামূলক অমুনাফাভোগী প্রতিষ্ঠান ।
  • সুন্দর , মনোরম ও মিতব্যয়ী জীবনের জন্য প্রয়োজন হিসাবরক্ষণ ।
  • কর , শুল্ক , ভ্যাট , কাস্টমস ডিউটি ইত্যাদি সরকারের আয়ের উৎস ।
  • হিসাবরক্ষণের মাধ্যমে আর্থিক সচ্ছলতা অর্জন সম্ভব ।

প্রশ্ন – ৫ঃ হিসাবরক্ষণের সুবিধা কী কী?

উত্তরঃ হিসাবরক্ষণের সুবিধাঃ

  • হিসাবরক্ষণের মাধ্যমে ব্যবসায়ের লাভ-লোকসান নির্ণয় করা যায়।
  • এটি ব্যবসায়ে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • এ থেকে ব্যবসায়ের চলতি সম্পত্তি ও দায়ের পরিমাণ জানা যায়।
  • হিসাবের বই গুলো প্রামাণ্য দলিল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
  • এর মাধ্যমে হিসাবের গাণিতিক শুদ্ধতা যাচাই করা যায়।
  • হিসাবরক্ষণ জালিয়াতি প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
প্রশ্ন – ৬ঃ হিসাবরক্ষণ কলা নাকি বিজ্ঞান যুক্তি সহ লেখ।
উত্তরঃ টেক্সটবুকে দেখুন।
প্রশ্ন – ৭ঃ লেনদেন কি?
উত্তরঃ অর্থ বা অর্থের মাধ্যমে পরিমাপযোগ্য কোনো বস্তু বা সেবাকর্মের আদান-প্রদানকে লেনদেন বলা হয়।
প্রশ্ন – ৮ঃ দ্বৈত সত্তা কি?
উত্তরঃ দ্বৈত সত্তা হলো – প্রত্যেকটি লেনদেনের দুটি পক্ষ থাকবে, সুবিধা প্রহণকারী ও প্রদানকারী।
প্রশ্ন – ৯ঃ দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি কী?
উত্তরঃ দু তরফা দাখিল পদ্ধতি হিসাববিজ্ঞানের একটি হিসাব সংরক্ষন পদ্ধতি যাতে এক পক্ষ সুবিধা গ্রহণ করবে এবং অপর পক্ষ সুবিধা প্রদান করবে। লেনদেন এর এ দুটি পক্ষকে হিসাব খাত বলা হয়। যেমন ৫০০০/- টাকা আয় করা হল। এটি লিপিবদ্ধ করার সময় একপক্ষ নগদান হিসাব এবং অপর দিকে সংশ্লিষ্ট আয় হিসাব ক্রেডিট হবে।
প্রশ্ন – ১০ঃ ডেবিট ও ক্রেডিট বলতে কি বুঝো?
উত্তরঃ প্রকৃত অর্থে, হিসাব বিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী ডেবিট বলতে হিসাবের বাম পার্শবকে বুঝায়। আর ক্রেডিট বলতে হিসাবের ডান পাশর্বকে বুঝায। ডেবিট করা বলতে কোন লেনদেনের এক পক্ষকে হিসাবের বাম পাশের্ব লিপিবদ্ধ করা বুঝায় এবং ক্রেডিট করা বলতে লেনদেনের অপর পক্ষকে সংশি-ষ্ট হিসাবের ডান পাশের্ব লিপিবদ্ধ করা বুঝায়।
প্রশ্ন – ১১ঃ হিসাব কি?
উত্তরঃ একটি নির্দিষ্ট সময়ে, কোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, আয়, ব্যয়, দায়, সম্পত্তি সংক্রান্ত একই ধরনের লেনদেনগুলোকে হিসাব বিজ্ঞানের নিয়ম অনুসরণ করে উপযুক্ত শিরোনামের অধীনে সংক্ষিপ্ত এবং শ্রেণিবদ্ধ বিবরণী আকারে লিপিবদ্ধ করাকে বলা হয় হিসাব।
প্রশ্ন – ১২ঃ  হিসাবের জের টানা কি?
উত্তরঃ হিসাবের দুই দিক সমান করার কাজকে জের টানা বা সমীকরণ বলে।
প্রশ্ন – ১৩ঃ হিসাবরক্ষণের স্বর্ণসূত্র কি?
উত্তরঃ  লেনদেনকে হিসাবের বইতে লিপিবদ্ধ করার জন্য দু’তরফা দাখিলা পদ্ধতি অনুসারে ডেবিট এবং ক্রেডিট করতে হয় । ডেবিট এবং ক্রেডিট করার প্রাচীনতম নিয়মকে স্বর্ণসূত্র বলা হয়। এ সূত্র অনুযায়ী লেনদেন ডেবিট এবং ক্রেডিট করার জন্য হিসাবকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১. ব্যক্তিবাচক হিসাব: 
ব্যক্তি গ্রহিতা …………………..…ডেবিট
ব্যক্তি দাতা……………………..…ক্রেডিট
২. সম্পত্তি বাচক হিসাব: 
সম্পত্তি বৃদ্ধি পেলে ………………ডেবিট
সম্পত্তি কমে পেলে ………………ক্রেডিট
৩. আয় ব্যয় বাচক হিসাব: 
সকল খরচ বা ক্ষতি…………. ডেবিট
সকল আয় বা লাভ……………ক্রেডিট
প্রশ্ন – ১৪ঃ নামিক হিসাব কি?
উত্তরঃ যে হিসাব দ্বারা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানসংক্রান্ত হিসাব বোঝায় তাকে ব্যক্তিবাচক হিসাব বলে। ব্যক্তিবাচক হিসাব বা নামিক হিসাব হলো প্রতিষ্ঠানের আয়, খরচ, মুনাফা বা ক্ষতি জাতীয় হিসাব।
প্রশ্ন – ১৫ঃ হিসাব চক্র কি?
উত্তরঃ হিসাব চক্র বলতে হিসাববিজ্ঞানের ধারাবাহিক কারযপ্রক্রিয়াকে বুঝায়। হিসাব্বিজ্ঞানের চলমান প্রতিষ্ঠান ধারনা অনুসারে প্রতিষ্ঠানের কারযাবলী অনন্ত কাল ধরে চলতে থাকবে। এই অনিরদিষ্ট জীবনকে হিসাবকাল বলে। প্রত্যেক হিসাবকালে হিসাব সংক্রান্ত কারযাবলী ধারাবাহিকভাবে চক্রাকারে সংগঠিত হয়। হিসাব সংক্রান্ত কারযাবলীর এই পরযায়ক্রমিক ধারাবাহিকতা এবং এদের পুনরাবৃত্তিকে হিসাবচক্র বলে।
প্রশ্ন – ১৬ঃ অনাদায়ি দেনা বলতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ প্রাপ্য হিসাবের যে পরিমিণ অর্থ আদায়যোগ্য নয় বা আদায় করা সম্ভব না হলে সেই প্রাপ্য অর্থকে অনাদায়ী পাওনা বলে। অনাদায়ী পাওনা ব্যবসায়ের ক্ষতি বা লোকশান। হিসাবভূক্ত করণঃপ্রত্যক্ষ বা সরাসরি অবলোপন পদ্ধতিতে অনাদায়ী পাওনা চিহ্নত হওয়ার পর প্রাপ্য হিসাব থেকে সরাসরি বাদ দিয়ে হিসাবভূক্ত করা হয়।
প্রশ্ন -১৭ঃ পাওনাদার ও দেনাদার বলতে কি বুঝায়?
 
প্রশ্ন – ১৮ঃ হিসাবের ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়ের নিয়মাবলি বা সূত্র লেখ।
 
প্রশ্ন – ১৯ঃ জাবেদা কাকে বলে?
 
প্রশ্ন – ২০ঃ জাবেদা বহিকে কি কি নামে অভিহিত করা হয়?
 
প্রশ্ন – ২১ঃ খতিয়ান কাকে বলে?
 
প্রশ্ন -২২ঃ খতিয়ানকে সকল হিসাব বহির রাজা বলা হয় কেনো?
 
প্রশ্ন -২৩ঃ ডেবিট ও ক্রেডিট ব্যান্সে কি?
 
প্রশ্ন -২৪ঃ জাবেদা ও খতিয়ানের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করো।
 
প্রশ্ন -২৫ঃ ব্যাংক হিসাবের ক্রেডিট উদ্বৃত্ত দ্বারা কি বুঝায়?
 
প্রশ্ন -২৬ঃ নগদান বইয়ের সঙ্গা দাও।
 
প্রশ্ন -২৭ঃ বাট্টা কি?
 
প্রশ্ন -২৮ঃ নগদ বাট্টা কাকে বলে?
 
প্রশ্ন -২৯ঃ বিপরীত দাখিলা কাকে বলে?
 
প্রশ্ন -৩০ঃ কারবারি বাট্টা কাকে বলে?
 
প্রশ্ন -৩১ঃ নগদান বহির কখনো ক্রেডিট ব্যালেন্স হয় না কেনো?
 
প্রশ্ন -৩২ঃ বাট্টা বলতে কি বুঝায়? কারবারি বাট্টা ও নগদ বাট্টার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর।
 
প্রশ্ন -৩৩ঃ রেওয়ামিল কাকে বলে?
 
প্রশ্ন -৩৪ঃ পরিপূরক ভুল কাকে বলে?
 
প্রশ্ন -৩৫ঃ নীতিগত ভুল কী?
 
প্রশ্ন -৩৬ঃ রেওয়ামিল প্রস্তুতের উদ্দেশ্য গুলো কি কি?
 
প্রশ্ন -৩৭ঃ রেওয়ামিলের দুই পার্শ্বের যোগফল সমান হয় কেনো?
 
প্রশ্ন -৩৮ঃ অনিশ্চিত হিসাব কি?
 
প্রশ্ন -৩৯ঃ কোন কোন ভুল রেওয়ামিলে ধরা পড়ে না, সেগুলো আলোচনা করো।
 
প্রশ্ন -৪০ঃ সমাপনী মজুদ পন্য রেওয়ামিলে অন্তর্ভুক্ত হয় না কেন?
 
প্রশ্ন -৪১ঃ চুড়ান্ত হিসাব কাকে বলে?
 
প্রশ্ন -৪২ঃ কু-ঋণ কী?
 
প্রশ্ন -৪৩ঃ উদ্বৃত্তপত্র কি?
 
প্রশ্ন -৪৪ঃ সুনাম কি?
 
প্রশ্ন -৪৫ঃ অবচয় কাকে বলে?
 
প্রশ্ন -৪৬ঃ সমাপনী মজুদ পন্য কাকে বলে?
 
প্রশ্ন -৪৭ঃ মূলধন জাতীয় ব্যয় বলতে কি বুঝায়?
 
প্রশ্ন -৪৮ঃ মুনাফা জাতীয় ব্যয় কি?
 
প্রশ্ন -৪৯ঃ রেওয়ামিল ও উদ্বৃত্তপত্রের পার্থক্য লেখ।
 
প্রশ্ন -৫০ঃ অনাদায়ী দেনা সঞ্চিতি বলতে কি বুঝায়?

Hi, My name is Mithun Miah. I am a Content Creator. Also, I am a professional Graphic Designer, Web Developer & Apps Developer.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment